অাল্লাহ তায়ালা বলেন
الدِّينِ مِنْ حَرَجٍ ۚ مِّلَّةَ أَبِيكُمْ إِبْرَاهِيمَ ۚ هُوَ سَمَّاكُمُ الْمُسْلِمِينَ مِن قَبْلُ وَفِي هَـٰذَا لِيَكُونَ الرَّسُولُ شَهِيدًا عَلَيْكُمْ وَتَكُونُوا شُهَدَاءَ عَلَى النَّاسِ ۚ فَأَقِيمُوا الصَّلَاةَ وَآتُوا الزَّكَاةَ وَاعْتَصِمُوا بِاللَّـهِ هُوَ مَوْلَاكُمْ ۖ فَنِعْمَ الْمَوْلَىٰ وَنِعْمَ النَّصِيرُ
আর আল্লহ তায়া’লার দ্বীনের জন্য মেহনত করিতে থাক, যেমন মেহনত করা আবশ্যক, তিনি সারা বিশ্বে আপন পয়গাম পৌঁছানোর জন্য তোমাদিগকে নির্বাচন করিয়াছেন। এবং দ্বীনের ব্যাপারে তোমাদের প্রতি কোন প্রকার কঠোরতা করেন নাই, (অতএব দ্বীনের কাজ অতি সহজ এবং ইসলামের যে সমস্ত হুকুম তোমাদিগকে দেওয়া হইয়াছে উহা দ্বীনে ইবরহীমের অনূকুল, কাজেই) তোমরা তোমাদের পিতৃপুরুষ ইবরহীমের দ্বীনের উপর কায়েম থাক। আল্লহ তায়া’লা কুরআন নাযিল হওয়ার পূর্বেও এবং কুরআন নাযিল হওয়ার মধ্যেও তোমাদের নাম মুসলমান রাখিয়াছেন–অর্থাৎ অনুগত ও ওয়াদাপালনকারী। তোমাদিগকে আমি এইজন্য নির্বাচন করিয়াছি যাহাতে রসূল (সল্লাল্লহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম) তোমাদের পক্ষে সাক্ষী হন আর তোমরা অন্যান্যদের বিরুদ্ধে সাক্ষী হও। (সূরা হাজ্জঃ ৭৮)
ফায়দাঃ অর্থাৎ কিয়ামাতের দিন অন্যান্য উম্মতগণ অস্বীকার করিবে যে, নবীগণ আমাদিগকে তাবলীগ করেন নাই তখন নবীগণ উম্মাতে মুহা’ম্মাদিয়াকে সাক্ষী হিসাবে পেশ করিবেন। এই উম্মত সাক্ষী দিবে যে, নিঃসন্দেহে পয়গম্বরগণ দাওয়াত ও তাবলীগের কাজ করিয়াছেন। যখন প্রশ্ন করা হইবে তোমরা কিভাবে জানিলে? তখন উত্তর দিবে যে, আমাদিগকে আমাদের নবী বলিয়াছেন। অতঃপর রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম নিজ উম্মতের সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হওয়ার পক্ষে সাক্ষ্য দিবেন।
কোন কোন মুফাসসিরীন আয়াতের মর্মার্থ এইরূপ বর্ণনা করিয়াছেন যে, আল্লহ তায়া’লা বলিয়াছেন, আমি তোমাদিগকে এইজন্য নির্বাচন করিয়াছি, যেন রসূলগণ তোমাদিগকে বলিয়া দেন এবং শিক্ষা দেন এবং তোমরা অন্যান্যদের বলিয়া দাও ও শিক্ষা দাও। (কাশফুর রহমান)

[pp
উত্তরমুছুন