(ফ্রীল্যান্সিং নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য)
ইন্টারনেট থেকে আয়? বা ফ্রীল্যান্সিং? আসলে কি এটা, ঠিক কি ই বা জানতে হবে এখান থেকে আয় করার জন্য? মাত্র কয়েক লাইনে জেনে নিন পুরো হিস্টোরি….
* সঠিকভাবে কাজ শিখে গড়তে পারেন ফ্রীল্যান্সিং ক্যারিয়ার!!
(মাত্র ৫ মিনিট ধৈর্য্য ধরে পড়ুন এবং জেনে নিন ফ্রীল্যান্সিং এর আসল সত্যিটাঃ)
ফ্রীল্যান্সিং মানে হচ্ছে একজনের কাজ অর্থের বিনিময়ে অন্য কাউকে হায়ার করে তাকে দিয়ে করানো। দেশ বিদেশের ছোট-বড় অনেক কোম্পানীই তাদের খরচ কমানোর জন্য পার্মানেন্টলি ওয়ার্কার না রেখে ইন্টারনেটের মাধ্যমেই তাদের কাজগুলো কোন লোক দিয়ে করিয়ে নেয়, যারা এই কাজ গুলো দেয় তাদের বলে বায়ার বা ক্লাইন্ট, আর যারা এই কাজগুলো করে তাদের বলে ফ্রীল্যান্সার, আর এই পুরো প্রসেসকে বলা হয় ফ্রীল্যান্সিং
অনেকের কাছেই কিন্তু এইটা খুব কঠিন মনে হয়, অনেকে ভাবেন নেটে কাজ করা মানে না জানি কত্তো কঠিন কিছু?!!
কিন্তু বিষয়টা মোটেও জটিল কিছু না, এভাবে ভাবুনতো- ধরুন ফেসবুকে আপনি ফ্রেন্ডদের সাথে চ্যাট করতে পারেন, ভিডিও তে কথা বলতে পারেন এটা কি কঠিন কিছু? মোটেও নয়, ঠিক একই ভাবে ক্লাইন্টদের সাথেও চ্যাট করার মাধ্যমে কাজ নিতে পারবেন এবং আপনার কম্পিউটারে কমপ্লিট করে তাকে জমাও দিয়ে দিতে পারবেন
এইভাবে কাজ সম্পন্ন করার পরে ক্লাইন্ট আপনাকে টাকা পরিশোধ করবে- টাকা নিয়ে আসার সবচাইতে সহজ উপায় হচ্ছে- লোকাল ব্যাংক ট্রান্সফার, এর মাধ্যমে আপনি ক্লাইন্টের টাকা সরাসরি আপনার ব্যাংকে ট্রান্সফার করতে পারবেন, তবে আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট অবশ্যই অনলাইন ভিত্তিক হতে হবে, উল্লেখ্য, আমাদের দেশের সকল বেসরকারী ব্যাংক ই অনলাইন সাপোর্টেড
অনেকেই বলে থাকে পেপাল ছাড়া টাকা তোলা যায় না, কিন্তু কথাটা ১০০% সত্যি নয়, খুব বড় ধরনের অ্যামাউন্ট এর জন্য সাধারণত পেপাল লাগে কিন্তু ছোটখাট এমনকি কয়েক লাখ টাকা পর্যন্ত আপনি সরাসরি ব্যাংক এই নিয়ে আসতে পারবেন কোন প্রকার ঝামেলা ছাড়াই এবং এছাড়াও ফ্রী Payoneer মাস্টার কার্ড দিয়েও পেমেন্ট তোলা যায় খুব সহজেই
ফ্রীল্যান্সিং কোন স্বল্প সময়ে ধনী হওয়ার মন্ত্র নয়, পরিশ্রম করতে পারলেই কেবল এই সেক্টরে আসতে হবে, এখানে আসার সময় হাতে কমপক্ষে ৬ মাস থেকে ১ বছরের প্ল্যান নিয়ে আসতে হবে
সঠিক ভাবে পরিশ্রম করতে পারলে আর সঠিক গাইড লাইনে ৩ মাসেও ইনকাম করা সম্ভব আর সঠিকভাবে না করতে পারলে ৩ বছরেও টাকার মুখ দেখবেন না।
ব্যাস এই হচ্ছে টোটাল ফ্রীল্যান্সিং এর নাড়ি নক্ষত্র। আশা করি বুঝে গেছেন।
অনেকের কাছেই কিন্তু এইটা খুব কঠিন মনে হয়, অনেকে ভাবেন নেটে কাজ করা মানে না জানি কত্তো কঠিন কিছু?!!
কিন্তু বিষয়টা মোটেও জটিল কিছু না, এভাবে ভাবুনতো- ধরুন ফেসবুকে আপনি ফ্রেন্ডদের সাথে চ্যাট করতে পারেন, ভিডিও তে কথা বলতে পারেন এটা কি কঠিন কিছু? মোটেও নয়, ঠিক একই ভাবে ক্লাইন্টদের সাথেও চ্যাট করার মাধ্যমে কাজ নিতে পারবেন এবং আপনার কম্পিউটারে কমপ্লিট করে তাকে জমাও দিয়ে দিতে পারবেন
এইভাবে কাজ সম্পন্ন করার পরে ক্লাইন্ট আপনাকে টাকা পরিশোধ করবে- টাকা নিয়ে আসার সবচাইতে সহজ উপায় হচ্ছে- লোকাল ব্যাংক ট্রান্সফার, এর মাধ্যমে আপনি ক্লাইন্টের টাকা সরাসরি আপনার ব্যাংকে ট্রান্সফার করতে পারবেন, তবে আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট অবশ্যই অনলাইন ভিত্তিক হতে হবে, উল্লেখ্য, আমাদের দেশের সকল বেসরকারী ব্যাংক ই অনলাইন সাপোর্টেড
অনেকেই বলে থাকে পেপাল ছাড়া টাকা তোলা যায় না, কিন্তু কথাটা ১০০% সত্যি নয়, খুব বড় ধরনের অ্যামাউন্ট এর জন্য সাধারণত পেপাল লাগে কিন্তু ছোটখাট এমনকি কয়েক লাখ টাকা পর্যন্ত আপনি সরাসরি ব্যাংক এই নিয়ে আসতে পারবেন কোন প্রকার ঝামেলা ছাড়াই এবং এছাড়াও ফ্রী Payoneer মাস্টার কার্ড দিয়েও পেমেন্ট তোলা যায় খুব সহজেই
ফ্রীল্যান্সিং কোন স্বল্প সময়ে ধনী হওয়ার মন্ত্র নয়, পরিশ্রম করতে পারলেই কেবল এই সেক্টরে আসতে হবে, এখানে আসার সময় হাতে কমপক্ষে ৬ মাস থেকে ১ বছরের প্ল্যান নিয়ে আসতে হবে
সঠিক ভাবে পরিশ্রম করতে পারলে আর সঠিক গাইড লাইনে ৩ মাসেও ইনকাম করা সম্ভব আর সঠিকভাবে না করতে পারলে ৩ বছরেও টাকার মুখ দেখবেন না।
ব্যাস এই হচ্ছে টোটাল ফ্রীল্যান্সিং এর নাড়ি নক্ষত্র। আশা করি বুঝে গেছেন।

কোন মন্তব্য নেই